অনলাইন ইনকাম

মোবাইল দিয়ে অনলাইন টাকা আয় করার উপায় ২০২১

আপনি কি অনলাইন থেকে মোবাইল দিয়ে টাকা ইনকাম করতে চান? তাহলে, এই পোষ্ট আপনার জন্য।

এই পোষ্ট এ আলোচনা করব কিভাবে আপনার Android Mobile দিয়ে সহজেই টাকা ইনকাম করতে পারবেন।

মোবাইলে অনলাইন ইনকাম এর সেরা ৩ উপায় বলবো। যা ১০০% real উপায় এবং আমিও এর একটি করে টাকা ইনকাম করছি।

মোবাইল দিয়ে অনলাইন টাকা আয়
মোবাইল দিয়ে অনলাইন টাকা আয়

আপনি চাইলেই আপনার মোবাইল দিয়ে টাকা ইনকাম করতে পারেন। সঠিক প্রদ্ধতি জানতে হবে, এবং কাজ করতে হবে।

কারন আজকালের মোবাইল ফোন এত বেশি অ্যাডভান্স যে আপনি চাইলে কম্পিউটার এর কাজও করে নিতে পারেন আপনার মোবাইল দ্বারা।

যখন ইনকাম আর কথা আসে তখন মনে একটা প্রশ্ন মনে জাগে মোবাইল দিয়ে কি পরিমান টাকা আয় করা সম্ভব?

উত্তর: আপনার কাজের উপর নির্ভর করবে আপনি কতটা ইনকাম করতে পারবেন, সময় এবং শ্রম দিতে পারবেন। তবে মিনিমাম হিসেবে ১০ থেকে 25 হাজার টাকা আয় করা সম্ভব।

অনেকে এর থেকে বেশি’ও আয় করেছে, আবার অনেকে লক্ষ টাকা ইনকাম করছে। আজকাল মোবাইল দিয়ে টাকা ইনকাম যেন ট্র্যাডিশন বা ফ্যাশন হয়ে উঠেছে।

আমি যে ৩ উপায় গুলি আপনাদের বলবো এইগুলা অনেক এ করতেছে, এবং প্রতি মাসে অনলাইন থেকে ভাল পরিমান টাকা আয় করছে। আর সেটা চাইলে আপনিও করতে পারবেন।

তবে, একটা কথা মনে রাখুন কষ্ট ছাড়া আর কাজ না করে কখনো টাকা আয় করতে পারবেন না। তাই ধর্য সহকারে কাজ করতে হবে। তবেই অনলাইন থেকে টাকা ইনকাম করা সম্বব।

চলেন, আর সময় নষ্ট না করে জেনে নেওয়া যাক মোবাইল থেকে সেরা আয় করার সেরা ৩ টি উপায়।

এন্ড্রয়েড মোবাইল দিয়ে আয় করার ৩ টি সহজ উপায়।

আপনি চাইলে যেকোন একটি কাজকে পার্ট টাইম বা ফুল টাইম হিসেবে নিয়ে কাজ করতে পারেন আপনার এন্ড্রয়েড মোবাইল ফোন দ্বারা।

আর, নিচে ৩ টি সেরা উপায় আমি আপনাদের বুঝিয়ে দিচ্ছি।

১. ব্লগিং এবং ওয়েবসাইট দ্বারা ইনকাম।

মোবাইল দিয়ে টাকা আয় করার সবচেয়ে জনপ্রীয় মাধ্যম হচ্ছে ব্লগিং। আপনি চাইলে ব্লগিং করে আনলিমিটেড টাকা ইনকাম করতে পারবেন।

আপনি ফ্রীতে ব্লগ খুলতে পারেন। এবং চাইলে টাকা দিয়ে ভালো মানের ব্লগ তৈরি করতে পারেন ওয়ার্ডপ্রেস এর মাধ্যমে, তবে আমরা আজকে ফ্রি ট্রিকস টি শেয়ার করব।

আপনি অবশ্যই গুগল এর ব্লগার এর প্ল্যাটফর্ম আর নাম শুনেছেন? গুগল ফ্রীতে ওয়েবসাইট তৈরি করার সুযোগ দিয়ে থাকে আপনি চাইলে ব্যাবহার করতে পারেন।

প্রথমে অবশ্যই  Google এর blogger.com ওয়েবসাইট এ গিয়ে ফ্রিতে জিমেইল (gmail) দিয়ে সাইন ইন করে নিন।

ফ্রিতে একটি ব্লগ ওপেন করার পর, গুগল এ আপনার ওয়েবসাইট সাবমিট বা যুক্ত করুন। কিভাবে গুগেল সার্চ টুল এ যুক্ত করতে হয় জানতে এখানে ক্লিক করুন

আপনি নিয়মিত আর্টিকেল পোষ্ট করতে থাকুন। এবং এসই অপটিমাইজ করে পোষ্ট করবেন।

তারপর আপনার ব্লগ বা ওয়েবসাইট ভিজিটর বা ট্রাফিক আসলে গুগল এডসেন্স আবেদন করুন। এডসেন্স অ্যাপ্রভ হলে আপনি টাকা ইনকাম করা শুরু করতে পারবেন।

যে ভাবে গুগল এডসেন্স খুলবেন?

আপনি হয়তো ভাবছেন যে, মোবাইল থেকে ব্লগ বানিয়ে কি ভাবে ইনকাম করব? এই জন্য রয়েছে গুগল এডসেন্স।

Google adsense হল একটি গুগলের অনুমোদিত একটি service যা আমাদের ওয়েবসাইট বা ব্লগে Text, link, video, image advertisement দেখানোর মাধ্যমে আমাদের online income এর সুযোগ দিয়ে থাকে।

গুগল এর এডসেন্স এবং ব্লগ ব্যবহার করে লোকেরা মাসে মাসে হাজার হাজার টাকা ইনকাম করছে, যা আপনার আমার কল্পনার বাইরে।

আর ব্লগ এ লেখার জন্য আপনার স্মার্ট ফোন এ microsoft word অ্যাপ্লিকেশন টি ব্যবহার করতে পারেন। তা, ছাড়া ব্লগার লেখার জন্য তাদের নিজস্ব সিস্টেম আছে।

আপনার স্মার্টফোনেই একটি ব্লগ তৈরি করে Google adsense এর মাধ্যমে প্রচুর টাকা ইনকাম করতে পারেন।

২। ইউটিউব চ্যানেল বানিয়ে টাকা ইনকাম (Youtube channel)

আপনি ব্লগিং এর মতো Youtube channel বানিয়ে টাকা ইনকাম করতে পারেন। Youtube হল গুগল এর  একটি service.

আপনি যদি লেখা-লেখি এর থেকে ভিডিও বানাতে আগ্রহী থাকেন, তাহলে ইউটিউব আপনার জন্য best (সেরা) হবে।

আজকাল অনেকেই blogging এর altranative হিসাবে ইউটিউব কে গ্রহন যোগ্য মনে করছে। কেননা, বেশির ভাগ মানষই ভিডিও দেখতে আগ্রহী।

Youtube এর সাথে কাজ করে অনেক সহজেই কোনো product কে বা প্রণ্যকে promote করা যায়। এতে করে বেশি টাকা ইনকাম করা যায়।

ইউটিউব চ্যানেল বানিয়ে টাকা ইনকাম এর আইডিয়া টি অনেক ভাল এবং যুক্তিসংগত। আজকাল লোকেরা ইউটিউবে চ্যানেল বানিয়ে লাখ লাখ টাকা ইনকাম করছে।

ইউটিউবে চ্যানেল বানানোর জন্য আপনার Youtube এর Wesbsite এ যেতে হবে। Youtube.com এ যাওয়ার পর Gmail accaunt ID আর password দিয়ে Sign in করে নিন।

নিজের Gmail account দিয়ে লগ-ইন করার পর আপনার ইউটুবে একটি ফ্রি channel বানিয়ে ফেলুন এবং তাতে নিয়মিত ভিডিও upload (আপলোড) করুন।

মনে রাখতে হবে ভিডিও টি ইউনিক হতে হবে মানে ভিডিও আপনার নিজের বানানো অরজিনাল ভিডিও হতে হবে।

অন্যের ভিডিও আপলোড করা যাবে না। এতে করে  copyright (চুরি করা) ভিডিও হিসেবে গণ্য হবে। এবং আপনার চ্যানেল টি গুগল বন্ধ করে দেবে।

আর ভিডিও copyright থাকলে আপনি টাকা ইনকাম করার কোনো সুযোগ পাবেন না।

তাই সব সময় নিজের তওরি এডিট করা ভিডিও আপলোড করুন। আপনি যেসব ভিডিও আপনার চ্যানেল এ আপলোড করবেন সেটা আপনার তওরী হওয়া বাধ্যতামূলক।

ইউটিউবে কেমন ভিডিও আপলোড করতে পারবেন?

আপনি যেকোন ধরনের ভিডিও আপলোড করতে পারেন। হতে পারে সেটা kono story, comedy videos, craft videos, tutorial videos, mobile reviews তবে আপনাকে একটা জিনিষ খেয়াল রাখতে হবে সেটা যেনো কোনো রকম abuse ভিডিও না হয়।

তবে বর্তমানে তারাতারি success পাওয়ার জন্য টেক রিলেটেড ভিডিও আপলোড করতে পারেন।

ভিডিও আপলোড করার পাশাপাশি ভিডিও শেয়ার করুন। এবং ভিউজ বারান এতে করে ইনকাম করার পরিমান বাড়বে।

ইউটিউবে চ্যানেল বানালেন ভিডিও দিলেন। কিন্তু টাকাটা কি ভাবে ইনকাম করবেন? এইটাই তো ভাবছেন তাই না?

ইউটিউব থেকে কিভাবে টাকা আয় করবেন?

ইউটিউবে থেকে আয় করা করার জন্য আপনার ভিডিও অনেক ভিউজ হতে হবে। যখন আপনার আপলোড করা ভিডিও হাজার হাজর ভিউজ পাবে বা সবাই দেখবে।

তখন আপনি আপনার ইনকাম করাটা শুরু করতে পারবেন।

ইউটিউবে “monetization” নামে একটি option রয়েছে। এই “monetization” নামক option আবেদন বা apply করে enable বা (সক্রিয়) করতে হবে।

নতুন নিয়ম অনুসারে ইউটিউবে monetization বা Google adesnse আবেদন করতে ৪,০০০ ঘণ্টার watch time লিমিট অতিক্রম করতে হবে। তবেই আপনি আবেদন করতে পারবেন।

এই monetization সক্রিয় হলে Google adsense এর পক্ষে থেকে advertisements বা (বিজ্ঞাপন) আপনার ভিডিও গুলোতে দেখানো হবে।

যখন কেউ আপনার ভিডিও দেখতে আসবে তখন তাকে ভিডিও শুরু হওয়ার প্রথমে একটি ad দেখানো হবে। এবং শেষে একবার দেখানো হবে।

প্রতিবার ad দেখানোর মাধ্যমে আপনাকে গুগল এডসেন্স এর দ্বারা টাকা দেওয়া হবে। এবং এই টাকা আপনার অ্যাকাউন্ট এ জমা হতে থাকবে।

আপনি ইউটিউবে থেকে কি পরিমান টাকা ইনকাম করতে পারবেন তার একটি উদহারন দেই।

ধরুন, আপনি ৬০ টি ভিডিও আপলোড করেছেন। পর্তেকটি ভিডিও তে প্রতিদিন ২০ টি করে নতুন ভিউজ আসে  তাহলে ৬০×২০=২৪০০ বার ডেইলি ভিউ পাবেন আপনি।

আর, প্রতিদিন যদি ২৪০০ বার ভিডিও গুলি মানুষ দেখে তাহলে প্রতি ইমপ্রেশন এ ০.২×২৪০০=৪৮০ ডলার।

আপনি দেখেছেন? ৪৮০ ডলার এটা কম নয়। যা টাকায় রূপান্তর করলে ৪৮০×৬০=২৮,৮০০ টাকা। বিদ্রহ: এখানে ১ ডলার সমান ৬০ টাকা দরা হয়েছে।

অনেক ইউটিউবে চ্যানেল আছে যারা এই রকম ইনকাম করে থাকে। তো আপনিও চাইলে করতে পারেন ইউটিউব চ্যানেল এর মাধ্যমে টাকা আয়।

একটা কথা মনে রাখতে হবে, একদিনে কিছুই হয় না। তাই ধর্জ সহকারে কাজ করতে হবে। ইউটিউব এর এর প্রতি আপডেট থাকতে হবে। তবেই youtube business এ success পাবেন।

৩. এন্ড্রয়েড অ্যাপস থেকে টাকা ইনকাম।

হ্যা আপনি টাইটেল টি ঠিকই পড়েছেন। Andriod apps থেকে টাকা ইনকাম। এখন, অনলাইন ওয়েবসাইটে এবং Google play store এ এখন টাকা ইনকাম করার অ্যাপস পাওয়া যায়।

তবে, অ্যাপ দ্বারা টাকা ইনকাম এটি একটি slow বা (ধীরগতি) ইনকাম। কারণ আর মাধ্যমে বেশি টাকা ইনকাম করা সম্বব না। কিন্তু ১০০% real ইনকাম করা যায়।

Google play store এ গিয়ে ‘ আর্নিং অ্যাপস, অনলাইন ইনকাম, ফ্রি রিচার্জ অ্যাপস লিখে সার্চ করলে অনেক earning অ্যাপস পেয়ে যাবেন।

টাকা ইনকাম আর সেরা অ্যাপস হলো: My BDT, Make Money-free, Math Cash, Pocket money, Mcent, TaskBucks, Trueblance আরো অনেক।

এই অ্যাপ গুলো play store থেকে ফ্রি তে ডাউনলোড দিতে পারবেন এবং টাকা ইনকাম করতে পারবেন।

তবে, মনে রাখবেন আপনাকে টাকা ইনকাম আর জন্য অবশ্যই কাজ করতে হবে। ফ্রি তে আপনাকে টাকা দেওয়া হবে না।

তাহলে জেনে নেওয়া যাক এইগুলা অ্যাপস এ কি রকম কাজ পাওয়া যায়?

অ্যাপ গুলোতে আপনাকে servey করতে হবে, apps downloading, app রেফার করা, video দেখা, ad দেখা, শেয়ার করা ইত্যাদি।

ইনকাম করা টাকা কি ভাবে হাতে  পাবেন? 

অ্যাপস থেকে ইনকাম করলে তারা অনেক উপায় পেমেন্ট করে থাকে যেমন: Bikash, paytym cash, paypal, mobile recharge, bank transfer ইত্যাদি।

এই পোস্ট যদি আপনার ভালো লেগে থাকে তাহলে অবশ্যই শেয়ার করুন এবং ভালো মন্তব্য করুন। এতে করে আরো ভালো কন্টেন্ট উপহার দেওয়ার আগ্রহ জাগে।

আর যদি কোনো বিষয়ে আরো জানার থাকে বা প্রশ্ন থাকে তাহলে নিচে থাকা কমেন্ট বক্স এ কমেন্ট করুন যতটা দ্রুত সম্বব উত্তর দেওয়ার চেষ্টা করব।

Related Articles

Leave a Reply

Back to top button